দেশে গণতন্ত্র নেই। তাই দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালুর পায়তারা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি ও জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সহ সভাপতি খন্দকার দেলোয়ার জালালী উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যেভাবে নির্বাচন করছে আগামীতেও এভাবে নির্বাচন করে গ্রহণযোগ্য করাতে পারে তাহলে গণতন্ত্র রুদ্ধ হয়ে যাবে। তখন দেশে একজন নেতা থাকবেন, তিনি আজীবনই নেতা থাকবেন। জনগণের কোনো অধিকার থাকবে না। তারা প্রজা হিসেবে চাকরের মত বিবেচিত হবে। তাই দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে শুধু রাজনৈতিক দল নয়, জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে।
জি এম কাদের আরও বলেন, গণতন্ত্রণ অবরুদ্ধ হলে তখন একটি মাত্র দল থাকবে, তারা চাইলে শোভার জন্য কিছু পাপেট দল তৈরি করে রাখতে পারবে। তখন নির্বাচনের পরিবর্তে সবকিছুই সিলেকশনে হবে। কখনো নির্বাচন হলে সুপ্রীম লিডারের নির্দেশেই হবে। ব্যবসায়ী ও পেশাদার সংগঠনসহ সবকিছুই এখন সিলেকশনের দিকে চলে গেছে। ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ার, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এবং ডাক্তারদের সংগঠনও সিলেকশনের দিকে যাচ্ছে।
জি এম কাদের আরও বলেন, দুটি কাজ সরকার সাফল্যের সঙ্গে করতে পেরেছে। একটি হচ্ছে, মানুষের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করা। বর্তমানে জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ে কথা বলতে পারছে না। নির্যাতন, নিষ্পেষণ এবং কঠোরভাবে দমনের ভয়ে মানুষ সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে আতঙ্কিত। দ্বিতীয় হচ্ছে, মানুষের মাঝে হতাশা সৃষ্টি করতে পেরেছে। তিন মাস দেশ বন্ধ ছিল কিন্তু আন্তর্জাতিক কিছু সমর্থনের কারণে সরকার টিকে গেছে।
