শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা’ ২২ “কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, সনদ বিতরণ এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান’ ২৩” হাটহাজারী পৌরসভা জোনের পরিচালক মুহাম্মদ আলী আকবরের সভাপতিত্বে ২৮ আগস্ট বিকালে হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ডক্টরস্ ল্যাব এবং ডক্টরস্ হসপিটালের চেয়ারম্যান সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী, ডা. মুহাম্মদ নিজাম মোর্শেদ চৌধুরী। উদ্বোধক ছিলেন নানুপুর লায়লা কবির ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক মাওলানা মীর মুহাম্মদ আব্দুর রহীম মুনিরী। প্রধান বক্তা ছিলেন শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় বোর্ডের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আখতার হোসেন চৌধুরী। বিশেষ বক্তা ছিলেন শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ সাহেদুল আলম সাহেদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরী (প্রাঃ) লিমিটেড এর উদ্যোক্তা, ম্যানেজিং পার্টনার মীর মোশাররফ হোসেন, হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ও আইডিয়্যাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’র চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দিকী, স্টার এগ্রো কমপ্লেক্স-এর স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ সেকান্দর মিয়া, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ হাটহাজারী পৌরসভার সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মাহাবুল আলম, আল খাইর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম কাদেরী, শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাবেক সমন্বয়ক হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, ব্যাংকার মুহাম্মদ নুরুল করিম তারেক, আইডিয়্যাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ফয়সাল করিম চৌধুরী, কেয়ার পার্ক হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স-এর পরিচালক মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন রুবেল, গরীবুল্লাহ শাহ্ এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ এয়াকুব কাদেরী।
প্রধান অতিথি ডা. নিজাম মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, “সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে সুনিপূন সোপান” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারী শিক্ষা বৃত্তি “শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা” নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। যা কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের সৎ, দক্ষ ও যোগ্য মানব সম্পদ তৈরীতে সহযোগিতা করবে। শিশু’রা হলো আমাদের ভবিষ্যত কর্ণধার। শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ’র উদ্যোগে প্রতি বছর শিক্ষা বৃত্তির আয়োজন করে থাকে, যা শিশুদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতাকে শানিত করে। এ ধরনের সৃজনশীল বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজনের মাধ্যমে শিশুরা নিজেদেরকে আরো যোগ্য করে গড়ে তুলছে। যার ফলে তারা অনুপ্রাণিত হবে, হবে উদ্যোমী। পরীক্ষা পরবর্তী পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান করে উত্তীর্ণদের উৎসাহ প্রদান করায় শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ হাটহাজারী পৌরসভা জোন এর পরিচালনা পর্ষদকে তিনি ধন্যবাদ জানান। বক্তারা বলেন-বর্তমান সময় হল প্রতিযোগিতার যুগ। আমরা যদি এই প্রতিযোগিতাটা শিক্ষা অর্জনের জন্য করতাম তাহলে এতো অনাচার-অত্যাচার জুলুম-নির্যাতন হত না। কারণ আমরা জানি, “যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সেই জাতি ততবেশি উন্নত”। সুতরাং জাতিকে উন্নত করতে প্রয়োজন শিক্ষা, সম্পদ নয়।
শিক্ষা অর্জন করলে সম্পদ আপনা আপনি চলে আসবে। বর্তমান সৃজনশীল শিক্ষার সমন্বয়ে নিজেদের মেধা যাচাই এবং সুশিক্ষিত হওয়ার উৎসাহ দিতে প্রত্যেক বছর বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে “শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি” নামক বৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনা করে আসছে শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ। এই বৎসর ৫ম বারের মত আয়োজিত হাটহাজারী পৌরসভা জোনের সকল কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে কর্তৃপক্ষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৃত্তি পরিচালনা পরিষদের উপ-পরিচালক (সার্বিক) হাফেজ মুহাম্মদ শাহেদ উদ্দিন ও সদস্য মুহাম্মদ কুতুব উদ্দিন জিয়ার’র যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ আরিফ সিদ্দিকী, মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, হাফেজ মুহাম্মদ সোলাইমান, মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম রিফাত, মুহাম্মদ জাহেদ সরওয়ার, মুহাম্মদ হান্নান উদ্দিন, মুহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম মুন্না, মুহাম্মদ হাফেজ মুহাম্মদ শহিদ, মুহাম্মদ রাজু চৌধুরী, মুহাম্মদ আশরাফ, হাফেজ নুর মুহাম্মদ, হাফেজ মুহাম্মদ জিসান, মুহাম্মদ সাকিব, মুহাম্মদ সিয়াম, মুহাম্মদ তারেক, মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আশিক প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিগণ বৃত্তি প্রাপ্তদের নিকট সনদ, ক্রেস্ট এবং পুরষ্কার তুলে দেন।
