মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের পঞ্চম কৌশলগত সংলাপ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেপ্তারের পরের বছর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ২০০৮ সালে তারেক রহমান দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। এরপর থেকে তিনি লন্ডনেই অবস্থান করছেন। তবে বিএনপির তরফ থেকে বরাবরই বলা হচ্ছে, তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন।
কিন্ত ২০১২ সালে তারেক রহমান ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন এবং এক বছরের মধ্যেই সেটি গৃহীত হয় বলে জানা গেছে।
কৌশলগত সংলাপের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানাতে গিয়ে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, অনিয়মিত বা অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে শিগগিরই স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সংলাপে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সংলাপে মানবাধিকারের বিষয়েও আলোচনা হয় বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কথা জানানো হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইনে ত্রুটি থাকলে তা উৎরাতে সাহায্য করবে যুক্তরাজ্য।
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, মাইগ্রেশান অ্যান্ড মবিলিটি নিয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ করতে তারা (যুক্তরাজ্য) সম্মত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের কিছু শিক্ষার্থী এবং কর্মী সেখানে যাচ্ছে সেটাকে আরও যেন বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
সংলাপে অংশ নেয়া যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আমাদের এ ধরনের এসওপি আছে, যার সদস্য ব্রিটেনও আছে। কিন্তু ব্রেক্সিট হওয়ার পর যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আর আমাদের এসওপি হয়নি। সেই প্রেক্ষাপটে আমরা তাদের সঙ্গে এসওপি করছি।
এসওপি চুক্তি হলে প্রতি মাসে তিন থেকে চারজন অবৈধ বাংলাদেশি দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলেও জানান হাইকমিশনার মুনা।
সংলাপে ঢাকার পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। অন্যদিকে ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের পার্মানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি ফিলিপ বার্টন।
