চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, যে দলের জন্ম ক্যান্টনমেন্টে এবং সামরিক স্বৈরাচারের আতুঁরঘরে রাজপথে সেই দলের একক দখলদারিত্ব থাকতে পারে না। যে দলের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য আছে এবং জনগণের অধিকারের কথা বলে সে দল সব সময় রাজপথেই থাকে, আছে এবং থাকবে- এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। যারা এই শিক্ষা গ্রহণ করে না তাদের কুমতলব হলো অযৌক্তিক ইস্যু খারা করিয়ে নাশকতা-অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে আঘাতগ্রস্থ করবে। তাদের রাজপথে থেকে মাঠ গরম করার কোন অধিকার নেই। তিনি আজ রোববার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক ৮ দিন ব্যাপী গণসমাবেশ, শোভা যাত্রা ও প্রয়াত জননেতাদের স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের কর্মসূচীর ১ম দিনে অক্সিজেন মোড়ে ১, ২, ৩, ৭, ৪২, ৪৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, যারা নির্বাচন মানে না এবং বিদেশী প্রভুদের আশকারায় অবৈধভাবে ও জোর করে ক্ষমতায় বসতে চায় বাংলার জনগণ তাদের অবশ্যই প্রতিহত করবে। আওয়ামী লীগ বাংলার সংগ্রামী জনতার একটি গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ। এই গণমঞ্চ থেকেই বাঙালির সার্বিক মুক্তি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক কল্যাণ ও প্রগতির সূচনা হয়েছে।
এটাই আওয়ামী লীগের ইতিহাস। এই ইতিহাসকে যারা অস্বীকার করে তারা ডাস্টবিনের আবর্জনায় নিক্ষিপ্ত হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, আমরা কোন দলের গণতান্ত্রিক কর্মসূচীকে বাধা দিতে কখনো পাল্টা কর্মসূচী দিতে চাই না। তবে সরকার পতনের অযৌক্তিক আন্দোলনের নামে যদি নাশকতা ও অরাজকতা হয় এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘিœত না হয় সেই মহৎ উদ্দেশ্যে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত জনগণকে সাথে নিয়ে থাকতে চাই, আছি এবং অবশ্যই থাকবো।
তিনি আরো বলেন, পাড়ায় মহল্লায় কিছু অনুপ্রবেশকারী ঢুকে গেছে এরা যেকোন সময় জনগণের জানমালের ক্ষতি করতে পারে। তাই কোথাও বা কোন এলাকায় সন্দেহভাজন কোন লোকের আনাগোনা দেখলেই তাদের চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে হবে। এছাড়া এলাকার মুরুব্বী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মন জয় করার জন্য তাদের কাছে গিয়ে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সকল প্রাপ্তি সাফল্য ও অর্জনগুলো তুলে ধরতে হবে এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধী অপশক্তির অপতৎপরতাগুলোর কুফল সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করতে হবে।
আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, নির্বাহী সদস্য গাজী শফিউল আজিম, মহব্বত আলী খান, জাফর আলম চৌধুরী, ১নং ওয়ার্ডের শাহজাহান রশিদ, তানভির আহমদ, শাহজাদা আব্দুল মালেক, হুমায়ুন আলম মুন্না, জামাল উদ্দীন, আব্দুল শুক্কুর ফারুকী, কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, আব্দুর রহিম, ৪২নং ওয়ার্ডের সৈয়দ মোঃ আমিনুল হক, ৪৩নং ওয়ার্ডের মাহবুব আলম কন্ট্রাক্টর, ইলিয়াছ সরকার। উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দীন চৌধুরী, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, উপদেষ্টা আলহাজ্ব সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ এমপি, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, চন্দন ধর, মসিউর রহমান চৌধুরী, আবু তাহের, দিদারুল আলম চৌধুরী, শহিদুল আলম, বখতেয়ার উদ্দীন খান, হাজী বেলাল আহমদ, মোর্শেদ আক্তার চৌধুরী, কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবু, মোঃ শফি, মোবারক আলী, মহিলা কাউন্সিলর জেসমিন পারভিন জেসী প্রমূখ।
