শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের পৃথিবী ছোট হয়ে এসেছে উল্লেখ করে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকার ভোট চোর হিসেবে দেশে বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। সরকারের পৃথিবী ছোট হয়ে এসেছে। উত্তর দক্ষিণ কিংবা পূর্ব-পশ্চিম বিশ্বের কোন দেশ ভোট চোর, দূনীর্তিবাজ ও মানবাধিকার লংগনকারী এই সরকারের সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে চাইনা।
আজ বিকাল ৩টায় নগরীর দোস্ত বিল্ডিংস্থ দলীয় কার্য্যালয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন অবৈধ সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণের দাবীতে আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বিএনপি’র মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আবদুল্লাহ আল নোমান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, স্বৈরাচার সরকার জনগণের চোখের ভাষা বুঝতে পারছে না তাঁরা ঘোমরা হয়ে গেছে। সরকারের উচিত ২৮ অক্টোবরের আগেই পদত্যাগ করে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেওয়া। ২৮ অক্টোবরের পর সরকার পালানোর পথ খুঁজে পাবে না। দেশে-বিদেশে কোথাও তাঁদের স্থান হবে না। সরকার পুলিশ ও র্যাব কে দলীয় বাহিনী হিসেবে বিএনপি’র বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে যার ফলশ্রুতিতে সারাবিশ্বে এই বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হচ্ছে।
আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিএনপি’র ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশের প্রস্তুতি দেখে সরকারের হৃদকম্পন শুরু হয়ে গেছে। সরকার হুংকার ছেড়ে ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ বাধাগ্রস্থ করতে চাই কিন্তু তাতে কোন লাভ হবে না কারণ ২৮ অক্টোবর ঢাকা শহর থাকবে বিএনপি’র নেতৃত্বে জনগণের দখলে। জনতার গণজোয়ারে আওয়ামীলীগ বুড়িগঙ্গা নদীতে তলিয়ে যাবে।
আবদুল্লাহ আল নোমান ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে সব ধরণের সর্বাথক প্রস্তুতি নিয়ে যথা সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে বিজয়ের পতাকা হাতে নিয়ে ঘরে ফেরার প্রত্যয়ে সবাই এই মহাসমাবেশে যোগদান করুন। বিজয় আসবেই।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের সভাপিতত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন, এডভোকেট ফোরকান, আবদুল গাফফার চৌধুরী, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, এস. এম. মামুন মিয়া, লায়ন নাজমুল মোস্তফা আমিন, মুজিবুর রহমান, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, সিরাজুল ইসলাম সওদাগর, আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, এড. ফৌজুল আমিন, খোরশেদ আলম, মফজল আহমদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম সওদাগর, জামাল হোসেন, ভিপি মোজাম্মেল হক, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী জাহেদ, হুমায়ুন কবির আনসার, হাজী মোঃ রফিক, ইসহাক চৌধুরী, হামিদুল হক মান্নান, অধ্যাপক এহসান মৌলা, নুরুল কবির, মঈনুল আলম ছোটন, সলিম উদ্দীন চৌধুরী খোকন, জেলা যুবদলের সভাপতি – মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ডা: মহসিন খাঁন তরুন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দীন চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন, বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বিন খলিল, মাষ্টার মোহাম্মদ লোকমান, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, গাজী আবু তাহের, হাজী মোহাম্মদ ওসমান, ইলিয়াস কাঞ্চন (চেয়ারম্যান), হাসান চৌধুরী (চেয়ারম্যান) আবুল কালাম আবু (চেয়ারম্যান), আবু সেলিম চৌধুরী, শওকত ওসমান, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক জসীম উদ্দীন চৌধুরী, সদস্য সচিব নাসির উদ্দীন, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কামরুদ্দিন সবুজ, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা আক্তার মুন্নি, ওলামা দলের আহ্বায়ক হাফেজ মৌলানা মোঃ ফোরকান, সদস্য সচিব হাফেজ জাবের হোসাইন চৌধুরী, জেলা যুবদল নেতা শাহজাহান চৌধুরী, মোজাম্মেল হক, হামিদুর রহমান পিয়ারু, আবু আহমেদ, জেলা ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ ফিরোজ প্রমুখ।
