বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, গুম, খুন আর দূর্নীতি হচ্ছে আওয়ামীলীগ সরকারের রাজনীতি। শেয়ার বাজারের টাকা কোথায় গেল। সব টাকা পাচার হয়ে গেছে।গণতন্ত্র পূনরুদ্ধার, একটি অবৈধ সরকারের কবল থেকে দেশকে রক্ষা করা, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম করার জন্য আমরা মাঠে নেমেছি। আমরা আশা করি অচিরেই এই সরকার একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রনয়ণ করবে, যে সরকারের মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু গ্রহন যোগ্য নির্বাচন হবে।
তিনি বলেন,গ্যাস, বিদ্যুৎ. চাল, ডাল, তেল ও আটাসহ নিত্যপ্রয়োজীনয় দ্রব্য সার ও ডিজেল, কৃষি উপকরণের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির কারনে মানুষ আজ অসহায় হয়ে পড়েছে।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবে রহমান শামীম বলেন, শান্তির সমাবেশের নামে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে বিএনপি, অঙ্গ সহোযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের সমাবেশ অশান্তি মনে জনগণ কোন প্রকার সাড়া দিচ্ছে না। টাকা খরচ করে সমাবেশে এই বিনা ভোটের সরকার লোক আনতে পারছেনা।অথচ বিএনপি কোন প্রকার অর্থ খরচ না করইে হাজার হাজার লোক নিয়ে সকল কর্মসূচী সফলভাবে পালন করে যাচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জনগণ আর এই সরকারকে চায়না। সরকার তাদের সময় জেনে এখন জোরপূর্বক ক্ষমতায় থাকার জন্য মরিয়া উঠেছে। বিএনপি’র কর্মসূচী নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা ভূল বকতে শুরু করেছে। এক কথায় তাদের মতিভ্রম শুরু হয়ে গেছে। এ থেকেই তারা বিএনপি’র সকল শান্তিপূর্ন কর্মসূচীতে বাধা প্রদান ও আওয়ামী আইন শৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা নির্যাতন ও আটক করছে।যতই নিপিড়ন, নির্যাতন, আটক, মামলা, হামলা ও গুলি চলুক বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা আর পিছু হটবেনা।
ব্যারিষ্টার মীর হেলাল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র মুক্ত করতে হবে। এ দেশের মানুষকে কথা বলতে দিতে হবে। ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। সেখানে যে জিতবে সেই ক্ষমতায় যাবে। বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সেই নির্বাচন করবে না।শান্তির লক্ষ্যেই বিএনপির প্রতিষ্ঠা। আর লুটপাটের জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা। বিএনপি কখনো চুরি-লুটপাটে বিশ্বাস করে না।
সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন,দেশে এখন নিরব দূর্ভিক্ষ চলছে। নিত্যপন্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে কলকারখানা ও সিএনজি গ্যাসের মূল্য আবারও বৃদ্ধি করে সংকট আরো বৃদ্ধি করে দিয়েছে। প্রতিমাসে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করছে। এই অবৈধ সরকার মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে নিয়েছে। সে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। বিদেশে বাড়ি গাড়ি করে নিয়েছে। সুইচ ব্যাংকে অর্থ জমা করেছে তারা। এরফলে দেশে অর্থের তারুল্য সংকট দেখা দিয়েছে। বেকারত্বের হার প্রতিনিয়ত বাড়তেই আছে। কিন্ত্র এ অবস্থা আর চলতে দেয়া হবেনা।
চট্টগ্রাম মহানগরী বিএনপির পদযাত্রা বাকলিয়া এক্সরোট থেকে শুরু হয়।মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা.শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবে রহমান শামীম বিশেষ অতিথি ছিলেন ,ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, আবুল হাসেম বক্কর,আবু সুফিয়ান সহ নেতৃবৃন্দ।সভা পরিচালনা করেন ইয়াছিন চৌধুরী লিটন ও কামরুল ইসলাম।পদযাত্র বহদ্দারহাট ঘিয়ে শেষ হয়।
