‘নেতা, এমপি, মন্ত্রী দিয়ে তদবির করিয়ে কোন লাভ হবে না। কারোর কথায় আমি ধার ধারি না..’। ২২ মে রাত ৯টার দিকে ভাইয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা নেওয়ার অনুরোধ করতে গেলে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার ওসি খাইরুল ইসলাম এমন মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করেছেন আমিনুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা।
আমিনুলের দাবি, ওসি খাইরুল এমন বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘটনাস্থলে চান্দগাঁও থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা উপস্থিত ছিলেন।
আজ সোমবার আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের পরিবারের মধ্যে সামান্য ঝামেলা হয়েছিল। পরে বড় ভাই থানায় প্রবাসী ছোট ভাইসহ কয়েকজনের নামে চাঁদাবাজির মামলা করেন। মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ওসি খায়রুল আমাকে মামলার আসামি করেন।’
আমিনুল আরও অভিযোগ করেন, ২২ মে রাত ৯টার দিকে চান্দগাঁও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন এবং তার পরিবারের সদস্যরা বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করার জন্য থানায় যান। ওইদিন স্থানীয় সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদও ফোন করে মামলা নেওয়ার জন্য ওসি খাইরুলকে বলেছিলেন। কিন্তু তিনি মামলা নেননি।
অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি খায়রুল ইসলাম বলেন, ওসি পদের মতো একটা দায়িত্বশীল পদে এ ধরনের কথা কি কেউ বলতে পারেন। আমিনুল তার ভাইয়ের করা মামলার আসামি ছিলেন। তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছে। ২২ মে রাত ৯টার দিকে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার অনুরোধ জানাতে থানায় এসেছিলেন। আমি তাদের আপ্যায়ন করেছি। ঘুষ নিয়ে আমিনুলকে মামলার আসামি বানানো এবং থানায় তার সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করিনি।
