সর্বশেষ

তরুণ ভোটাদের অধিকার প্রতিষ্টার জন্য তারুণ্যের সমাবেশ সফল করুন- টুকু

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, তরুণ ভোটাদের অধিকার প্রতিষ্টার জন্য আমরা মাঠে নেমেছি।বর্তমান সরকারের হাতে দেশ ও দেশের মানুষ নিরাপদ নয় ।এই সরকার দেশের সব অর্জন খেয়ে ফেলেছে। এখন রিজার্ভ গিলে ফেলেছে। আর কয়েকদিন ক্ষমতায় থাকলে পুরো দেশটাকে খেয়ে ফেলবে। দেশের অস্তিত্ব আর রাখবে না। তাই এখনই সময়-তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এই সব খেকো সরকারকে সরাতে হবে। এজন্য সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুবকদেরকে রাজপথে নামাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দশে তারুণ্যের সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য।

চট্টগ্রাস থেকে শহীদ জিয়াউররহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন এখন আগামী কাল চট্টগ্রাম থেকে শুরু হবে ভোট ও ভাতের অধিকারের সংগ্রাম।
তিনি আজ ১৩ জুন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন।
টুকু বলেন,সরকার ঘরে ঘরে চাকুরী দেবে বলে দেশের মানুষকে বলেছিল। কিন্তু দলীয় লোকদের চাকুরী দিতে ঘিয়ে দেশের মেধাকে ধংশ করে দেওয়া হয়েছে এবং অধিকাংশ মানুষের চাকুরী খেয়েছে।বিচার বিভাগকে ধংশকরে দেওয়ার কারনে মানুষ ন্যায়বিচার পাচ্ছেনা।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সন্ত্রাসের আখরায় পরিণত করেছে সরকার।কিছু দিন আগে আপনাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অস্ত্রের মহরা দেখেছেন।
কিন্তু কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।শুধু বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের কথা বলার কারনে হামলা,মামলা,গ্রেফতার ও ঘুম করা হচ্ছে।

জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এমন একটি সময়ে যখন সারাদেশের মানুষ দিশেহারা। দিশেহারা মানুষদের সামনে তিনি কাণ্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তিনি শুধু ঘোষণা দিয়েই থেমে যাননি, সম্মুখে যুদ্ধ করেছেন।

তিনি বলেন, রক্ত দিয়ে আমরা এ দেশকে স্বাধীন করেছি। প্রত্যাশা ছিল স্বাধীনভাবে বসবাস করা, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সাম্যের প্রতিষ্ঠা করা, অর্থনৈতিক বৈষম্য থাকবে না। কিন্তু আজকের বাংলাদেশ এমন অবস্থা, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈষম্য। ধনী সবচাইতে ধনী আর গরিব সবচাইতে গরিব।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশ এখন এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। লুটপাট আর দুর্নীতিতে নিমজ্জিত সরকার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। চারদিকে হাহাকার। জনগণ আর এই অপশাসনের ভার বইতে পারছে না। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আগামী কাল চট্টগ্রামের তারুণ্যের সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে, সেই সমাবেশে তরুণরা মহাসমুদ্রের সম্মিলন ঘটবে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য। সেখান থেকেই দেশের ভাগ্য নির্ধারণের বার্তা দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন,সাধারন সম্পাদক রাজিব আহসান , ছাত্রদলের সভাপতি রনকুল ইসলাম শ্রাবণ,সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, নুরুল ইসলাম নয়ন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’,কেন্দ্রীয় যুবদলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ,
চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচএম রাশেদ খান,মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু,মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন সহ বিভিন্ন জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন