সর্বশেষ

প্রথমার্ধে শক্তিশালী কুয়েতকে আটকে রাখল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আজ শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও কুয়েত। গোলশূন্য ড্র নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করেছে দুই দল।

ম্যাচের দুই মিনিটের মাথায়ই আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। তবে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি শেখ মোরসালিন। তবে প্রথমার্ধজুড়ে রক্ষণে দৃঢ়তা দেখিয়েছে বাংলাদেশ। কুয়েতকে কোনো সুযোগ দেয়নি তারা।

সপ্তম মিনিটে আক্রমণে ওঠে কুয়েত। কর্নার থেকে পাওয়া বল কয়েক পা ঘুরে যায় আল রশিদের পায়ে। তার ক্রসে সালমান মোহাম্মদ হেড দিলে দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন ইসা ফয়সাল। দুর্দান্ত খেলেছেন গোলরক্ষক আমিনুর রহমান জিকোও। তবে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছে বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকে।

কুয়েতের বিপক্ষে জয় নেই বাংলাদেশের। বাংলাদেশের সঙ্গে এর আগে কুয়েতের মোট ২ বার দেখা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালে মারদেকা কাপে প্রথম দেখায় বাংলাদেশ হারে ২-১ ব্যবধানে। পরে ১৯৮৬ সালে এশিয়ান গেমসে লড়ে দুই দল। সেবার ৪-০ ব্যবধানের বড় হার দেখতে হয় লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। ৩৭ বছর পর আবারো মুখোমুখি হলো দুই দল।

কুয়েতকে হারাতে পারলে ১৮ বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার গৌরব অর্জন করবে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০০৫ সালে পাকিস্তানের করাচিতে ফাইনাল খেলেছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ২০০৩ সালে সাফে নিজেদের একমাত্র শিরোপা জেতে বাংলাদেশ।

‘এ’ গ্রুপের সেরা হয়েই সেমিফাইনালে উঠেছিল কুয়েত। প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর দুর্বল পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪-০ গোলের বড় জয় পায় কুয়েত। শেষ ম্যাচে ভারতের সঙ্গে ড্র করে ‘এ’ গ্রুপের সেরা হয় দলটি।

অন্যদিকে, সাফে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের গল্প ঘুরে দাঁড়ানোর। প্রথম ম্যাচে ‘বি’ গ্রুপে অতিথি হিসেবে খেলতে আসা লেবাননের বিপক্ষে ২-০ গোলের হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু। এর পরের দুই ম্যাচে মালদ্বীপ ও ভুটানের বিপক্ষে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে দাপুটে জয়। গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে সেমিফাইনালে উঠে যায় জামাল ভূঁইয়ারা।

আরও পড়ুন