সর্বশেষ

কানাডার হাইকমিশনারের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের বৈঠক

নিজের অধীনে ইলেকশন করতে চাওয়াটাই অসাংবিধানিক। পৃথিবীর সকল আইন তথা বাংলাদেশের সকল আইনই ন্যাটারাল জাষ্টিস নীতি অনুস্বরণ করেই প্রনীত হয়েছে। অর্থ্যাৎ ন্যাচারাল জাষ্টিস নীতি ছাড়া আইন হলে সেটা বাতিল বলে গন্য হবে। নির্বাচনে একটি দলের বা সরকারের এক ধরনের যাছাই হয় । সেই সরকার বা দল কতটা জনপ্রিয় সেটা ইলেকশন দ্বারাই চুরান্ত ফয়সালা হয়। তারই ফলশ্রুতিতে সেই দল বা সরকার ক্ষমতায় আসে। অর্থ্যাৎ নির্বাচন পরিচালনাকারীরা একধরনের বিচারকের মত রায় বা ফলাফল ঘোষনা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল বা ফলাফল যাছাই বাছাই করার কার্যদি একজন বিচারকের মতই কার্য। যেহেতু সরকারই একটি পক্ষ সুতারং এখানে সে অবশ্যই চাইবে যেনতেনভাবে জিতে ফলাফল তার পক্ষে নিয়ে আসতে। এই কারনে সরকার বা সরকারী দল ক্ষমতাহীন হওয়া খবুই জরুরী। তারা ক্ষমতায় থেকে ইলেকশন করা মানেই ইলেকশনকে প্রভাবিত করা। ক্ষমতায় থেকে ইলেকশন করার ইচ্ছা পোষন বা চেষ্টা সম্পূর্ন ন্যাচারাল জাষ্টিট নীতি বিরোধী। কারন ন্যাচারাল জাষ্টিস এর অন্যতম মূল নীতি হল- No one should be a judge in his own cause. অর্থ্যাৎ একজন বিচারক তার স্বার্থ আছে সেই ধরনের বিচারে নিজে বিচারক থাকতে পারেন না। সরকার হয়তো বলার চেষ্টা করবে আমরা তো ইলেকশন করছি না,ইলেকশন করছে নির্বাচন কমিশন। সরকারের এই যুক্তি সম্পূর্ন অযোক্তিক। কারন সকল বিভাগই সরকারের অধীন। নির্বাচন কমিশনের কোন ক্ষমতাই নাই। যদি সরকার না চায়,সেটা তারা করতে পারেন না। যদি নির্বাচন কমিশনই ইলেকশন করে থাকে তাহলে সরকার দলের ক্ষমতায় থাকায় দরকারটা কি? হ্যাঁ দরকার । দরকারটা হল নিজের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সব করা। এখানে তাদের মেনসরিয়া অর্থ্যাৎ অপরাধপ্রবল মন থাকায় তারা দোষী। সুতারং ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করতে চাওয়াটা বেআইনী,নেচারাল জাষ্টিস বিরোধী এবং অসাংবিধানিক।

আরও পড়ুন