আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে পারে এমন কোনো শক্তি নেই। বিএনপির নৈরাজ্য মোকাবিলা করবে প্রশাসন। যেকোনো মূল্যে বিএনপির অরাজকতা মোকাবিলা করতে হবে। বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হবে। আমাদের নেতাকর্মীরা সুসংগঠিত। বিএনপি সমালোচনাই করে যাচ্ছে। এখন কোরাস গাইছে। তারা দেশকে সন্ত্রাসের মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। রেললাইন তুলে ফেলেছে। খালেদা জিয়া বলেছিল-ঘরে ফিরে যাবে না। নব্বই দিন একটানা হরতাল করেছিল। এখন ভয় দেখাচ্ছে হরতাল করবে। আমি মনে করি না, তারা কবর থেকে উঠে আসতে পারবে।
রাউজানের ডাক বাংলো চত্বরে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বকুল চারা রোপণ করেছেন।
রাউজান সরকারি কলেজ মাঠে সোমবার (১৭ জুলাই) এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর উদ্যোগে পাঁচ লাখ ফলের চারা বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাউজান আসেন কৃষিমন্ত্রী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, ভাইস চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওহাব, মাস্টারদা সূর্য সেন স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি শ্যামল পালিত প্রমুখ।
সকাল সাড়ে দশটায় ডাক বাংলোতে উপস্থিত হন মন্ত্রী। এ সময় তাঁকে গার্ড অব অনার দেয় রাউজান থানা পুলিশ।
উদ্বোধকের বক্তব্যে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, জ্ঞান জ্যোতি হত্যাকাণ্ডের পর মাননীয় মন্ত্রী রাউজান এসেছিলেন। আজ ২০ বছর পর এসেছেন। আমরা ৫১ রকমের পাঁচ লাখ চারা লাগাব। বেশিরভাগ ফলের চারা। আমরা যা করবো তা আরেকজন ফলো করবে।
পাঁচ লাখ চারার মধ্যে রয়েছে- কাঁঠাল, চালতা, আম, নারিকেল, বাতাবি লেবু, আমড়া, জামরুল, হরীতকী, বহেড়া, গাব, লটকন, আমলকী, কাঠবাদাম, মিষ্টি তেঁতুল, আতা ইত্যাদি।
