সর্বশেষ

যুবদল নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলা দায়েরের নিন্দা ও প্রতিবাদ

 

বুধবার গভীর রাতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মানিক, ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাসেল আহমেদ, ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য আল আমিন, ওয়ার্ড যুবদল নেতা মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ ফোরকান, মোঃ শামসুল আলম, শফিককে তাদের নিজ নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার এবং মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক মোঃ হেলাল হোসেন, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রেদোয়ান হোসেন জনি, মোঃ রাসেল আঁকাশ, বাকলিয়া থানা যুবদল নেতা মো: শাহিনসহ বিএনপি, যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দদের নামে মিথ্যা, বানোয়াট মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ।

নেতৃদ্বয় এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লুন্ঠন, স্বেচ্ছাচারিতা, শোষণ-বঞ্চনার প্রতিবাদে এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের ১ দফা দাবী আদায়ের শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে নেতাকর্মীদের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মীকে আহত এবং মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় না এনে উল্টো বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রাতের অন্ধকারে গ্রেফতার এবং মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানি করছে!

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ইতিহাস বলে নির্যাতন করে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারেনি। বর্তমান সরকারও পারবে না। আমরা খুব পরিস্কার করে বলতে চাই, এভাবে সন্ত্রাসী হামলা করে, আহত করে, জখম করে, হত্যা করে, গ্রেফতার করে, মিথ্যা মামলা দিয়ে কখনোই আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না, বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলকে রাজপথ থেকে সরানো যাবে না।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আওয়ামীলীগ একটা নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ, পরিস্থিতিকে তারা পুরোপুরি নস্যাৎ করে দিতে চায়। আওয়ামী লীগ একটি গণতন্ত্র বিরোধী শক্তি, সন্ত্রাসী শক্তি, তারা দেশের মানুষের অধিকারকে হরণকারী শক্তি। আওয়ামী লীগ অতীতেও একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলো এখনো তারা একই উদ্দেশ্যে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, নির্বাচন আসতেই পুরাতন রুপে ফিরেছে আওয়ামী লীগ! রাষ্ট্রপরিচালনায় সকল ক্ষেত্রে ব্যর্থ বর্তমান আওয়ামী অবৈধ সরকার এখন দিশেহারা হয়ে অমানবিকভাবে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের খেলায় মেতে উঠেছে। নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মিথ্যা মামলা দায়ের এবং হত্যা, গুমসহ অব্যাহত গতিতে গ্রেফতার করে কারান্তরীণের মাধ্যমে গোটা দেশকেই বানিয়ে ফেলেছে নিশিরাতের সরকার। বর্তমান সময়ে এই গ্রেফতারের ঘটনা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এ ধরনের অপকর্ম সরকারের দৈনন্দিন কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। দেশব্যাপী প্রতিদিনই হত্যা, নির্যাতন, দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উস্কানিতে নারকীয় হামলা, ভাঙচুর অগ্নিসংযোগের ঘটনা তারই অংশ।
যুবদল নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নেতৃদ্বয় অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান।

 

আরও পড়ুন