চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন। কারণ তাদের জন্ম ক্যান্টনমেন্টে। বিশ্বে ফ্যাসিবাদের উন্মেষ ঘটেছে সামরিক স্বৈরাচার থেকে। অথচ মির্জা ফখরুল যিনি আপাদমস্তক জ্ঞানপাপী ও মিথ্যাচারী তিনি বলে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী। তিনি শিক্ষিত হয়েও এত মুর্খ যে ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা জানেন না। ফ্যাসিবাদের আঁতুরঘর থেকে জন্ম নেওয়া বিএনপি নামক অরাজনৈতিক শক্তিটি বিশ্বমানবতার শত্রু এবং ধর্মান্ধ উগ্র জঙ্গীবাদের সূতিকাগার। এই অপশক্তি সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য অকল্যাণকর।
তিনি আজ বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধুর ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালনোপলক্ষে বন্দর থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত নীমতলাস্থ এস.কে কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন কোন বিদেশী প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী নয়। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্ধারিত সময়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবেই। এই নির্বাচনকে ঠেকানোর শক্তি কারো নেই। যারা ঠেকাতে চাইবে তাদেরকে রাজপথে প্রতিহত করা হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, বিলম্বে হলেও উচ্চতর আদালত দেশের গণমাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান আমদানিতে দ-িত অপরাধী তারেক রহমানের প্রচারপ্রোকান্ডা নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়ার উচ্চতর আদালত যথাযথ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এজন্য বিচারিক উচ্চতর আদালত কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাই।
তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমানের সন্তান তারেক রহমানের বৈধ কোন আয় উপার্জন নেই। তিনি এক অর্থে বেকার। তারপরেও তিনি লন্ডনে বসে দামী গাড়ি ও বাড়ি ব্যবহার করে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছেন। এমনকি সরকার ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি হননে লবিস্ট নিয়োগ করে হাজার হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করছেন। বুঝতে বাকি নেই তার এই বিপুল পরিমাণ অর্থের যোগানদাতা কারা। তিনি দাবী করেন, তারেক রহমানসহ ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করতে হবে। আদালতের রায় অনুযায়ী এই শাস্তি নিশ্চিত না হলে মানবিকতা ভুলন্ঠিত হবে এবং গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ থাকবে না। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাজপথে থাকার কঠিন সংকল্প নিয়ে মাঠে থাকুন এবং অরাজকতা, নাশকতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন।
আগামী দ্বাদশ সংসদ জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আমাদের মাঠে থাকতেই হবে। বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াছের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দীন চৌধুরী, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, ধর্ম সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ, উপ প্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম, নির্বাহী সদস্য রোটারিয়ান মোঃ ইলিয়াছ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মোঃ হাসান মুরাদ, হাজী মোঃ হাসান, জানে আলম, ইস্কান্দার মিয়া। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, ত্রাণ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাজী মোঃ হোসেন, নির্বাহী সদস্য নেছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু এছাড়া থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
