স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের যা চিকিৎসা দেওয়ার তার বাইরেও আমরা সচেতনতামূলক কাজও করে যাচ্ছি। টেলিভিশন, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, এমনকি আমার মাইকিংও করছি। সিটি করপোরেশনের কাজও আমাদের করতে হচ্ছে।
রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সাভারের জিরানী এলাকায় বাংলাদেশ-কোরিয়া মৈত্রী হাসপাতালের হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা বার বার বলছি, মশা যে পর্যন্ত না কমবে সে পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীও কমবে না। কাজেই মশা নিধন করতে হবে। মশা নিধন করলেই রোগী ও মৃত্যু কমবে।’
ডেঙ্গুতে রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মশা নিধন ছাড়া কিছু বলার নেই। গতকালও দুই হাজার নতুন রোগী আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। এখন পর্যন্ত দেড় লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়ে আছেন। এখনো ১০ হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। মশা নিধনের জন্য প্রত্যেকটি জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে। শুধু ঢাকা-শহরে নয়, প্রতিটি জেলায় এই কাজ করতে হবে, তবেই মশা কমবে, তবেই ডেঙ্গু রোগী কমবে।’
তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ আপনারা খুব ভালো করে জানেন। তাদের দায়িত্ব ডাক্তার-নার্সদের ট্রেইন করা। এ ছাড়া রোগীরা যাতে বেড পায়, ওষুধ পায় ও স্যালাইন পায়, সে কাজ সফলতার সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করে আসছে।’
কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক, হাসপাতালটির বাস্তবায়ন সংস্থা কেওইসির ভাইস প্রেসিডেন্ট লি ইউন-ইয়ং, স্বাস্থ্য সেবা খাতের অতিরিক্ত সচিব নাসিমা খানম, কেওইসির কান্ট্রি ডিরেক্টর তেয়ং কিম, ডিজিএইচএসের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম এবং বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা হাসপাতালটির হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
