হাটহাজারীর সাব-রেজিস্ট্রার পারভিন আক্তারকে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার অভিযোগে দুদকের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুদকের আইনজীবী লুৎফুর কিবরিয়া শামীম সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলায় তিনজন আসামি আদালত থেকে জামিন নিলেও পারভিনসহ বাকি ১৮ জন আসামি পলাতক ছিলেন।
রবিবার হাটহাজারীর অফিস থেকে ছুটি নিয়ে সিলেট রওনা হন তিনি এবং সোমবার ১৬ অক্টোবর সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে দিয়ে পারভিনকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে সিলেট সদর অফিসে কর্মরত ছিলেন সাব-রেজিস্ট্রার পারভিন আক্তার। তখন একটি কোম্পানির নামে থাকা ১৫ একর বাড়ি শ্রেণির ভূমিকে ব্যক্তি মালিকানা ও টিলা শ্রেণি দেখিয়ে ভুয়া কাগজপত্রে ১২টি দলিল রেজিস্ট্রেশন করে দেন তিনি।
বিষয়টি জানতে পেরে কোম্পানির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজারুল আলম চৌধুরী ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি ২২ জনকে আসামি করে সিলেট মহানগর বিশেষ জজ আদালতে মামলা করেন। মামলায় দলিলদাতাকে প্রধান ও সাব-রেজিস্ট্রার পারভিন আক্তারকে ২ নম্বর আসামি করে ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ২১ জন বিবাদীর যোগসাজশে পারভিন আক্তার ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারের ১ কোটি ২৬ লাখ ৩৯ হাজার ২২৯ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন।
মামলার পর আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের ভার দেন। গত ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন।
