সর্বশেষ

পুলিশের গ্রেফতার টেকাতে ৫৮ দিন শত শত নারী পুরুষ নির্ঘুম রাত জেগে নেতাকে পাহারা

গ্রেফতার টেকাতে বাড়ীর সামনে,আশেপাশে পাহারা বসিয়ে রাতদিন পাহারা দিচ্ছে এলাকার শত শত যুবক থেকে শুরু করে সব বয়সী নারী পুরুষ । এসব লোকজন দিন ও রাতের খাবার জোগাড় করছে নিজারাই।পুলিশ ঐ নেতাকে গ্রেফতার করতে না পারে এ জন্য নিজ উদ্যোগে এ ব্যবস্থা।
নেতাটি আর কেউ নন তিনি চট্টগ্রাম জেলার অন্তর গত বাঁশখালি উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান বহিষ্কিত বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান।
গত ৫ অক্টোবর চট্রগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির সমাবেশের পর ৯ অক্টোবর গ্রেপ্তার এড়াতে মহর থেকে বাড়ী চলে যান তিনি।বাড়ীতে থেকেই নেতা-কর্মীদের বিশাল মিছিল ২৮ অক্টোবর ঢাকা বিএনপির সমাবেশে পাঠানো হয়। অবরোধ হরতালে উনার নির্দেশে নিয়মিত বাঁশখালী ও চট্রগ্রাম দক্ষিণে প্রতিনিয়তই মিছিল পিকেটিং করে যাচ্ছে কর্মীরা। ফলে বাঁশখালী লোক হয়েও তিনি হাটহাজারী থানায় গায়েবী মামলার আসামী হন। লিয়াকত আলী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির নেতা ছিলেন।গত তিন বছর আগে জেলা বিএনপির কমিটির বাইরে গিয়ে কর্মকান্ড করার অপরাধে দল থেকে তিনি এবং আরো দুই জনকে বহিস্কার করেন বিএনপি।কিন্তু তিনি দলের সব কর্মকান্ড চালিয়ে যান।মিছিল মিটিং,সমাবেশে শত শত নেতা কর্মী নিয়ে হাজির হতেন লিয়াকত আলী।


২৮ অক্টোবরের পর বিএনপির নেতা কর্মীরা পালীয়ে বেড়ালেও লিয়াকত আলী শহর থেকে গ্রামের নিজ বাড়ীতে গিয়ে নেতা কর্মীদের পাহারায় অবস্থান করছেন।
গত ৫৮ দিন থেকে প্রতিনিয়ত দিবা-উনার বাড়ীতে হাজার হাজার নারী-পুরুষ পাহারা বসিয়েছে। একেকদিন একেক বংশ থেকে নির্ঘুম লোকজনের খাবার সরবরাহ করা হয়, যা সারাদেশে বিরল।
লিয়াকত আলী বলেন আলহামদুলিল্লাহ, প্রতিদিন সাধারন মানুষ আসছেই উঠানে। মানুষগুলি আমার বেঁচে থাকার প্রেরণা। বহুমূখী চক্রান্ত চলছে, আল্লাহ-ই মহা-কৌশলী ও উত্তম ফয়সালার মালিক।এলাাকার হাজার হাজার নারী পুরুষ নির্ঘুম রাত জেগে আমাকে সংগ দিচ্ছে। আল্লাহ ওদের প্রতি আমাকে অকৃতজ্ঞ করোনা।তিনি আরো ভলেন,বাড়ী থেকে কোথাও যাওয়ার সূযোগ নেই-এখান থেকে মসজিদ ভিটার সাড়ে তিন হাত ঘর।দোয়া করবেন সবাই।

আরও পড়ুন