চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়েছে ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। বাড়তি ভাড়া, খাবারের দাম বৃদ্ধি ও আবাসন সমস্যা নিয়ন্ত্রণসহ পাঁচ দাবিতে তারা ফটক আটকে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। তবে এসময় ভর্তি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে এক ঘণ্টা পর ফটক খুলে দেয়া হয়।
এরই প্রতিবাদে বাড়তি ভাড়া, খাবারের দাম বৃদ্ধি, আবাসন সমস্যা, পানির সংকট ও বিদ্যুত সমস্যা নিয়ন্ত্রণের দাবিতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দেন চবি ছাত্রলীগের সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা-কর্মীরা । একসময় প্রায় অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে তারা সভায় বসেন। সমস্যার সমাধানের আশ্বাসে রাত সাড়ে ৯টার পর মূল ফটক খুলে দেন তারা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সময় ভাড়া, আবাসন ও খাবার নিয়ে ভোগান্তির শেষ থাকে না। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ সমস্যাগুলো নিয়ে প্রতিবাদ করেছে। আমরা তাদের সঙ্গে গিয়ে রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে যোগ দিয়েছি। আমরা পাচঁটি সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছি। দ্রুত সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা ফটক খুলে দিয়েছে।
ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের থাকার জায়গা থাকে না। অনেকেই বাহিরে রাত্রিযাপন করে সকালে পরীক্ষা দেন। তাই নবনির্মিত দুটি হল খুলে দেয়ারও দাবি জানাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. নূরুল আজিম সিকদার বলেন, শিক্ষার্থীরা পাঁচটি সমস্যার কথা তুলে ধরেছে। এগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করা হবে।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি ভর্তি পরীক্ষা। মঙ্গলবার ও বুধবার হয়েছে ‘এ’ ইউনিটের চার শিফটের পরীক্ষা। এতে ২০ শতাংশ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিতির কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিভিন্ন ইউনিটের পরীক্ষা চলবে আগামী ২৫ মে পর্যন্ত। এ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চার হাজার ৯২৬টি আসনের বিপরীতে মোট পরীক্ষার্থী দুই লাখ ৫৬ জন।
