বুধবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে ভার্চুয়ালি বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের গ্রাউন্ড ব্রেকিং কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান। এসময় ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় কুমার ভার্মা উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বের ভারতে যাবেন। এর মধ্যে আমাদের পার্টি টু পার্টি একটি আলোচনা হবে। সেটার জন্য ভারতের বিজেপি থেকে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমরা আশা করছি, জুলাই মাসে যাব।
বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে তারা (বিএনপি) নৈরাজ্য করবে, তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করবে, এটা তাদের পুরোনো স্বভাব। কাজেই যখন যেটাকে মোকাবিলা করতে হয়, সেই পরিস্থিতিই বলে দেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কী করতে হবে বা তাদের দায়িত্ব কী। রাজনৈতিক যেকোনো বিষয় আমরা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করব।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিরও একটা ভাষা আছে। বিএনপি দু’দিন আগে যে ঘটনা ঘটিয়েছে… রাজশাহীতে তারা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। তিনি (রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ ওরফে চাঁদ) কোনও সামান্য ব্যক্তি এটা মনে করার কারণ নেই। তিনি বিএনপির জেলা আহ্বায়ক, বিএনপির সেন্ট্রাল কমিটির মেম্বার৷ আমি অবাক হলাম মির্জা ফখরুল যিনি দলের মহাসচিব তিনি একটা শব্দও করলেন না।
ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ। তবে কেউ জাতীয় নির্বাচন প্রতিহত করতে এলে তাকে প্রতিহত করা হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গাজীপুরের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সমালোচনা করতে হলে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিএনপি নিজেদের একদফা বাস্তবায়ন করতে চাই কিনা এমন প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, রাজশাহীতে বিএনপির আহ্বায়ক শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন, এ বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিন্দা জানালেও নির্বিকার বিএনপির মহাসচিব।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করলে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগোতে পারবে না, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত আরও বেশি পরিমাণে বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশে এলে বাংলাদেশকে বিনিয়োগকারী খুঁজতে আর দূরে যেতে হবে না।
