সর্বশেষ

অধিকাংশ সবজির কেজি ৮০ টাকা,সংসার চালাতে হিমশিম সীমিত আয়ের মানুষের

সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষ। তাই, আগামী বাজেটে নিত্যপণ্যের দামের বিষয়ে সরকারের বিশেষ নজর চায় সাধারণ মানুষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রব্যমূল্যের অস্থিরতা ঠেকাতে এ খাতে ভর্তুকি বাড়াতে হবে।

সীমিত আয়ের মানুষরা বলছেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর তেল, পেয়াজ, চিনি, চাল, ডাল, সবজিসহ সবকিছুর দাম বেড়েছে। সংসারে ব্যয় দ্বিগুণ হলেও আয় বাড়েনি। এমন অবস্থায় সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়েছে। বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে।

বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, বাজার ব্যবস্থা চলে গেছে সিন্ডিকেটের দখলে। সরকার নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা কমাতে না পারলেও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। পণ্য আমদানি করে টিসিবির মাধ্যমে নিম্নবিত্তের কাছে কম দামে সরবরাহ করছে। চালু রয়েছে ওএমএস সেবাও।

এদিকে, বাজারের নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে এবারের বাজেটে ভর্তুকি বাড়ানোর পাশাপাশি যোগ্য ব্যক্তি নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিংয়ের পরামর্শ দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়ছে না। তাই, সরকারের উচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, বিশেষ করে আমদানি নির্ভর পণ্যের ওপর থেকে শুল্ককর সরিয়ে ফেলতে হবে।

সবজি

সবজির দাম কোনোভাবেই কমছে না। বাজারে অধিকাংশ সবজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু সবজি নয়, মাছ-মাংস-মশলার বাজারও চড়া। এতে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষ।শুক্রবার (২৬ মে) দেশের বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি পটল ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, বেগুন ৮০, ঝিঙে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, কাঁকরোল ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৮০ টাকা, করলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, টমেটো ৭০ থেকে ৮০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া গাজর কেজিপ্রতি ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৮০ থেকে ১০০ টাকা, জালি কুমড়ার পিস ৬০ টাকা এবং কাঁচাকলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, বাজারে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজিই নেই। এটা অন্যায়। সংসার চালাতে খুব হয়ে যাচ্ছে। কৃষিপ্রধান দেশ হয়েও সবজির এতো দাম। এটা সম্পূর্ণ কারসাজি। বাজার সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে সরবরাহ কম। অনেক ধরনের সবজির মৌসুম শেষের দিকে। ফলে সেসব সবজির দাম বাড়তি। তাছাড়া চাহিদার তুলনায় ঢাকায় পণ্য কম আসায় পাইকারি বাজারগুলোতেই সবজির দাম বাড়তি। যে কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

চকবাজারের সবজি বিক্রেতা হায়াত আলী বলছেন, সবজির দাম বাড়ার কারণে বিক্রিও কমেছে। আগে যেখানে একজন ক্রেতা একটা সবজি এক কেজি নিত, এখন সেখানে আধা কেজি নিচ্ছে।

@@

 

 

আরও পড়ুন