ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির‘ ডিপার্টমেন্ট অফ ইকোনমিক্স’এর পৃষ্ট পোষকতায় এবং ‘ইডিউইকন এক্যুমেন সোসাইটি’ কর্তৃক আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রধান বক্তা হিসেবে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটি অফ জর্জিয়া এর‘ হেলথ পলিসি এন্ড ম্যানেজমেন্ট’অনুষদের অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান ডক্টরএম. মাহমুদ খান। উল্লেখ্য, ডক্টরএম. মাহমুদ খান চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিদ্ধ স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি হতে স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। সেমিনারে তিনি অর্থনৈতিক অবস্থার উপর বাংলাদেশের শিশু পুষ্টিহীনতার প্রভাব সম্বন্ধে আলোচনা করেন এবং আর্থিক বিশ্লেষণ করে বলেন, “পুষ্টিহীনতার কারণে এক জন শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশ বিগ্নিত হওয়া ছাড়াও পরিণত বয়সে এক জনসক্ষম শ্রমিক বা কর্মজীবী হিসেবে গড়ে উঠতে প্রতিবন্ধ কতা তৈরি করে। ফলে তারা বিভিন্ন খাতে কাম্য অবদান রাখতে ব্যর্থ হয়।
তিনি আরো বলেন, “বিশ্বের অনেক দেশেই শিশু পুষ্টিহীনতার পরিমাণ বেশ প্রবল। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের শিশু অপুষ্টির হার উল্লেখ যোগ্য ভাবে কমেছে এবং তা পার্শ্ববর্তী দেশ গুলোর তুলনায় বেশ ভাল। বাংলাদেশ সরকার এবং এনজিও প্রতিষ্ঠান গুলোর সমন্বয়ে নিয়মিত গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।” এ খাতে বিনিয়োগের উপর গুরুত্বারোপ করে, তিনি বলেন“রিসার্চ অনুযায়ী, শিশুর পুষ্টিহীনতা রোধে প্রতি ১ ডলার বিনিয়োগে ভবিষ্যতে তা দেশের জন্য প্রায় ৪.৫৮ ডলার এর সমান বিনিয়োগ সুবিধা প্ররদান করবে।
আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান। এমন একটি আয়োজনের জন্য আয়োজক কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রফেসরএম. মাহমুদ খান বিদেশের মাটিতে অবস্থান করেও কাজ করছেন বাংলাদেশ ভিত্তিক বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প নিয়ে, যা অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যখাতে দেশের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।“
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর শামস-উদ দোহা, রেজিস্ট্রার, মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ।
