সর্বশেষ

আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার হজ্ব প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত

আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’২৩ অনুষ্ঠান চবি রসায়ন বিভাগের সাবেক রসায়ন বিভাগের প্রধান আলহাজ্ব আহমদ হোছাইনের সভাপতিত্বে ও আলহাজ্ব মাওলানা সরওয়ার আলমের পরিচালনায় আজ ৩ জুন সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’২৩ উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন হজ্ব গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোরশেদুল আলম, হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হাব ও আটাবের সভাপতি আলহাজ্ব শাহ আলম, প্রধান বক্তা ছিলেন হাবের সেক্রেটারী আবদুল মালেক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন, ডা: মাওলানা জুনাইদুল ইসলাম, রসুলাবাদ ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মহিউদ্দিন, মাওলানা আরিফুল্লাহ, মাওলানা ইমরান সাঈদ, মাওলানা আখতার হোসাইন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডা. আবুল কালাম আযাদ ও মুহাম্মদ সরওয়ার কামাল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ সম্মেলন হলো হজ। এটি উম্মাহর সামাজিক, রাজনৈতিক এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও মমত্ববোধ সৃষ্টির পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ঐক্যের প্রকৃত নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। হজ ধনসম্পদ, বর্ণ-গোত্র কিংবা জাতীয়তার দিক থেকে ভেদাভেদ ভুলিয়ে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হতে শেখায়। রাজা, প্রজা, মালিক, ভৃত্য সবাইকে সেলাইবিহীন একই কাপড় পরিধান করায়। একই উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হয়ে সাম্যের আহ্বান জানায়। হজ মানুষকে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলাবোধের শিক্ষা দিয়ে সহানুভূতিশীল করে গড়ে তোলে।হজ্ব এমন একটি আধ্যাত্মিক ইবাদত যাতে ইসলামের সকল ইবাদতের মূল নির্যাস নিহিত। হজ্ব কেন বড় ইবাদত এজন্য সুনির্দিষ্ট স্থান, সুনির্দিষ্ট সময়, সুনির্দিষ্ট পোষাক রয়েছে এবং একটি বিশেষ শ্রেণীর উপর ফরজ। এটি আল্লাহতায়ালা কর্তৃক প্রবর্তিত সর্বশেষ ফরজ বিধান এবং এই ইবাদতের নামে আল কোরআনে একটি স্থায়ী সূরা বিদ্যমান। হজের পর থেকে মানুষ নিজের সৎ-শুদ্ধ কিংবা পাপ-পঙ্কিলতাপূর্ণ অতীতের সমাপ্তি টেনে নতুন করে নিজের জীবনকে ঢেলে সাজায়। সে সুবাদে তার প্রতিটি কর্মকান্ডে লাগে নবজীবনের ছোঁয়া। আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলা আল্লাহর মেহমানদেরকে দীর্ঘ বছর ধরে যে সেবা দিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন