সর্বশেষ

সিডিএ বললেন চলতি বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রাম নগরীতে হবে না জলাবদ্ধতা

চট্টগ্রামে চলতি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা হবে না বলছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ। জলাবদ্ধতা প্রকল্পে ৫টি স্লুইস গেট নির্মাণ শেষ হওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট খাল পুন:খনন ও অন্যান্য কাজ প্রায় শেষ হওয়ায় এবার জলজটের ভোগান্তি দূর হবার আশা তাদের। তবে করোনা মহামারিসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় সিডিএ’র জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর লাগবে জানিয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা।

চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। এই মহানগরিতে আধণ্টিা বৃষ্টি হলেই প্লাবিত হতো বেশ কিছু এলাকা। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণ, অপরিকল্পিত নগরায়ন, নালা নর্দমায় ময়লা আবর্জনা ফেলা এবং খালসমূহ বেদখল হওয়ার কারণেও অধিকাংশ সময় জলাবদ্ধতার তৈরি হয়। এই সমস্যা সমাধানে ২০১৭ সালে সিডিএর উদ্যাগে প্রথম প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে সিডিএ, সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ ৩ সস্থা। সিডিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে এই দুই সংস্থার কাজ বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনী।

নির্মাণ কাজের মধ্যে রয়েছে খাল খনন, নালা পরিষ্কার, নালা পাকাকরণ, রিটেইনিং ওয়াল, ফুটপাথ তৈরি, কালভার্ট, ব্রিজ, নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ, ফ্লাড ওয়াল নির্মাণ, দখলকৃত খালের জায়গা উদ্ধার করে পুনঃখাল খননসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি। জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন ও সম্প্রসারণে সিডিএ’র নেওয়া প্রকল্পে কাজ শেষ হয়েছে ৭৬ শতাংশের বেশি। বাস্তবায়নকারী সংস্থা বলছে, করোনা মহামারি, ভূমি অধিগ্রধিগ্রহণ জটিলতা ও অন্যান্য বেশকিছু সংস্থার সাথে সমন্বয় করতে সময় লেগেছে। তাই এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।

সিডিএ বলছে এই প্রকল্পে ইতোমধ্যে ব্রিজ, কালভার্ট, রোড সাইড ড্রেন ও নতুন ড্রেন নির্মাণের কাজ শতভাগ শেষ। ৫টি রেগুলেটরের নির্মাণকাজও শেষ। তবে কিছু খালের পাশে প্রতিরক্ষা দেওয়াল,সিল্ক ট্র্যাপ, খালপাড়ের রাস্তা নির্মাণে কিছুটা পিছিয়ে আছে তাঁরা। তবুও চলতি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা হবে না আশা তাদের।

জলাবদ্ধতা নিরসনে এক হাজার ৬২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে জানান প্রকল্প সংশ্লিস্ট কর্মকর্তারা।

সিডিএর এই প্রকল্পের বর্তমান প্রাক্কলন ব্যয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা এবং সিটি করপোরেশনের ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন