আজ রোববার বিকেল ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো পিকআপ ভ্যানচালক মোর্শেদ, স্কুলছাত্র ফয়সাল, সৈকত ও সাকিব। চালক ছাড়া হতাহত সবাই স্থানীয় জোরকানন স্কুলের ছাত্র। এর মধ্যে সাকিব ছাড়া বাকি তিনজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। ঢাকায় আনার পর সাকিবের মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, একটি খোলা পিকআপ ভ্যানে করে ২০-২২ জনের একদল খেলোয়াড় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদ মাঠে খেলায় অংশ নিতে যাচ্ছিল। ওই মাঠে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালিকা (অনূর্ধ্ব-১৭) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বিকেলে মাঠটিতে বারপাড়া বনাম জোরকানন (পূর্ব) এর মধ্যে খেলা হওয়ার কথা। মাঠে যাওয়ার সময় বেপরোয়া গতির একটি কাভার্ড ভ্যান খেলোয়াড়দের বহনকারী পিকআপকে ধাক্কা দিলে পিকআপটি মহাসড়কের পাশে উল্টে যায়। এ সময় কাভার্ড ভ্যানটির নিচে চাপা পড়ে পিকআপটি। খেলোয়াড়রাও ওই পিকআপের নিচে চাপা পড়ে।
ঘটনার পরপরই থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শুরু করে। ক্রেন দিয়ে কাভার্ড ভ্যান সরিয়ে খেলোয়াড়দের উদ্ধার করা হয়। পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্সে করে হতাহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে রং সাইড দিয়ে আসা পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে আনার পথে তিনজন মারা যায়।
