প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচের চিঠি গত বুধবার রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছেছে। তবে ফাঁসি কার্যকরের আগে নানা প্রক্রিয়া রয়েছে। জেলকোড মেনে এখন সে প্রক্রিয়াগুলোই শুরু করতে চায় কারা কর্তৃপক্ষ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকেই কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারাগারের একজন কর্মকর্তা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রায় ছয় মাস আগে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করেছিলেন। গেল জুনে শেষ সপ্তাহের দিকে রাষ্ট্রপতি তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেন। এর মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও নিহত অধ্যাপক তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে চলমান সব দাপ্তরিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়। প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচের চিঠি রাজশাহী কারাগারে পৌঁছার কথা তখন স্বীকার করেনি কারা কর্তৃপক্ষ। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে তা স্বীকার করেছেন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নিজাম উদ্দিন। তিনি জানান, গত বুধবার ডাকযোগে চিঠি এসে পৌঁছেছে।
রাজশাহীর ডিআইজি (প্রিজন) কামাল হোসেন বলেন, প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি নাকচ করার ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির ফাঁসি কার্যকরে সব বাধা শেষ হয়েছে। তবে ফাঁসি কার্যকরের আগে আগে জেলকোড অনুযায়ী কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এক্ষেত্রে আদেশ প্রাপ্তির ২১ দিন হতে ২৮ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। জেলকোডের ৯৯৯ বিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিনক্ষণ ঠিক করার পর আত্মীয়স্বজনকে শেষ দেখা করার জন্য খবর দেওয়া হয়।
